My first Blog 30-04-2020
আমি অনিমেষ সামন্ত , আমি একজন সিভিল ইঞ্জিনিয়ার এবং সার্ভেয়ার আমি মনিপুর এ কাজ করি একটা প্রাইভেট কোম্পানি তে , আমার বাড়ি ওয়েস্ট বেঙ্গল এর হুগলী জেলার অন্তর্গত পুড়শুড়া থানার অধীনে একটা সবুজে মোরা ছোট্ট গ্রাম জঙ্গল পাড়া, আমি সেই গ্রামেরই একজন।আমার--- আমার বাবার নাম গোবিন্দ পদ সামন্ত , তিনি পেশায় একজন ডাক্তার পাড়ার শুধু নয় গ্রামের মানুষ সবাই তাকে এক নামেই চেনে,আর আমার মা একজন হাউস ওয়াইফ , আর আমার একটা ভাই ও আছে ও একজন মেকানিকাল ইঞ্জিনিয়ার সেও আমার মতো কাজের জন্য পাঞ্জাব এ একটা কোম্পানি তে কাজ করে কোম্পানি টির নাম সীমার ইনফ্রাস্ট্রাকচার কোম্পানি লিমিটেড , সে বলছে নাকি কোম্পানি তা ভালো -- জাগ্ শুনেও ভালো লাগলো। আর আমি একজন বিবাহত ৬ ফুট ১ইঞ্চি হিস্ট পুষ্ট পুরুষ আর আমার এই কিছু দিন হলো বিবাহিত জীবনে পা দিয়েছি , কিছু দিন মানে এইতো ১৮ ওই জানুয়ারি ২০২০। জাগ্ এইতো গেলো আমার একটা ছোট পরিচয়।
আজ শুরু করলাম আমার ডেইলি রুটিন দিয়ে --
আজ তো আমি তেমন কিছু করার সুযোগ পাই নি কেন না এখন লক ডাউন চলছে , তবে হ্যাঁ আজকে সকালের ব্রেক ফার্স্ট শেষ করার পর প্রায় দিনের মতো আজকেও ডাক্তার বাবুর কাছে গিয়ে বসলাম তেমন কিছু না গল্প করার জন্য দেখি দুজন লেবার ক ৪ জন মিলে ধরে নিয়ে আসছে এদিকেই ডাক্তার বাবুর কাছেই , দেখি একজন এর হাত তা জয়েন্ট থেকে শুধু স্লিপ হয়ে গেছে ,আর একজন কে দেখলাম তার মাথা থেকে রক্ত পড়ছে ডাক্তার বাবু তো বোকা বুকি করে তার কাজ শুরু করে দিলো আমরা সবাই ভাবি যে লেবার ই হোক আর ইঞ্জিনিয়ার সবাই তো একটা ফ্যামিলি তাই না যাই হোক ডাক্তার প্রথমে হাথের রুগী তা কে ধরে হাত টা ঠিক করে সেট করে একটা ব্যান্ডেজ বেঁধে দিয়ে তার পর বাকি রুগী তাকেও ভালো করে দেখে ইনজেকশন দিয়ে ছেড়ে দিলো এরপর রুম এ আসে একটা গল্পের বই পড়তে লাগলাম এবং রতন এল লাঞ্চ করার জন্য ডাকতে আর হাঁ বলে নিই রতন আমাদের মেসে খেতে দেয় খুব ভালো ছেলে। খাওয়া সেরে রুম এ আসে দিব্বি একটা ঘুম দিলাম ৫ তা পর্যন্ত। তারপর একটু ব্যায়াম আর সন্ধ্যে ৭ তাই ডিনার সেরে একটু হাঁটতে হাঁটতে মা ও মিসেস আর সাথে কথা বলে সাড়ে ৯ টার মধ্যে ঘুমিয়ে পড়া।
আগামী কাল আবার আবার শুরু---


Comments
Post a Comment